বাংলাদেশ , শুক্রবার, ৭ মে ২০২১

নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী সরকার আমাদনীও রপ্তানী বানিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে চায়

লেখক : AjKMuSbt | প্রকাশ: ২০২০-০১-১১ ১৫:৪৪:০২

আঞ্চলিক দেশ সমুহের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ন সম্পর্ক বজায় রেখে আমাদনী-রপ্তানী বানিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে চায় সরকার । তাই মোংলা সমুদ্র বন্দরের মাধ্যমে পণ্য আমাদনী-রপ্তানি বৃদ্ধির সহ এ বন্দরের গতি বাড়াতে বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে মোংলা বন্দর চ্যানেল আউটারবার ড্রেজিং কার্যক্রমের অগ্রগতি পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন জোট সরকারের আমলে একসময়ের মোংলা বন্দর ছিল মৃত বন্দর আর মৃত প্রায় এ বন্দর এখন শুধু গতিশীল নয়, এ বন্দরকে ঘিরে উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ চলছে। গত কয়েকদিন আগে এ মোংলা সমুদ্র বন্দরের বিভিন্ন উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৮শ কোটি টাকা বরাদ্ধ দিয়েছে। যা দিয়ে এ বন্দরের গুরুত্বপুর্ন মালামাল ক্রয় ও চলমান কাজে ব্যায় করা হবে।

এছাড়াও বন্দরের মুল চ্যানেল পশুর নদী ড্রেজিং করা হয়েছে। বন্দর এখন আগের তুলনায় অনেক গতি বেড়েছে এবং বহু উন্নয়ন চলমান রয়েছে। চলমান এ গতি ধরে রাখতে বন্দর সৃষ্টির পর এ প্রথমবারের মতো আউটারবার ড্রেজিং কার্যক্রম চলছে। আর এ ড্রেজিং প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে সাড়ে ১০ মিটার পণ্যবাহী বানিজ্যিক জাহাজ সরাসরি মোংলা বন্দরে ভিতরে পারবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এখন বিদেশী জাহাজ চট্ট্রগ্রাম বন্দর হয়ে মোংলা বন্দরে আসতে হয় আর এ ড্রেজিং সম্পন্ন হলে পন্য বোঝাই দেশী-বিদেশী বানিজ্যিক জাহাজ বঙ্গোপসাগর হয়ে মোংলা বন্দরে প্রবেশ করবে বলেও আশ্বাস্ত করেন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী।

হিরোন পয়েন্টের অভিমুখে মোংলা বন্দরের মোহনায় প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে হংকং রিভার ইঞ্জিনিয়ারিং নামের একটি চীনা কোম্পানী মোংলা বন্দরের প্রবেশমুখে এ্যাংকারেজ পর্যন্ত ড্রেজিং কাজ করছে। ২০১৭ সালের ১৪ নভেম্বর একনেকে এ প্রকল্পটি অনুমোদনের পর দরপত্রে কাজ পাওয়া ওই প্রতিষ্ঠানটি গত বছর ফেব্রুয়ারীতে ডাইক নির্মানসহ খনন কার্জ শুরু করে। ইতিমধ্যে মোট কাজের ২৪ শতাংশ খনন কাজ সম্পন্ন করেছে চীনা ওই প্রতিষ্ঠানটি। শনিবার দুপুরে স্পীট বোড যোগে সাগর মোহনায় আউটারবার ড্রেজিং কাজের অগ্রিগতি দেখতে মোংলা বন্দরের অদূরে ওই এলাকা পরিদর্শনে যান নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                                   ড্রেজিং এলাকা পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রী সমুদ্রের হিরন পয়েন্ট এলাকায় সেখানকার নৌ-বাহিনী অথবা বন্দরের রেষ্টহাউজে রাতযাপন করবেন এবং রোববার দুপুরে মোংলা বন্দরে পৌছানের কথা রয়েছে তার। পরে মোংরা বন্দরে থেকে ঢাকার উদ্দোশ্যে রওয়ানা হবে নৌ-প্রতিমন্ত্রী। নৌপরিবহন মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব ভোলা নাথ দে, যুগ্ন-প্রধান রফিক আহম্মদ সিদ্দিক,মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মোজাম্মেল হকসহ বন্দরের পদস্থ কর্মকর্তারা তার সফর সঙ্গী রয়েছেন।

Print Friendly, PDF & Email