বাংলাদেশ , শুক্রবার, ৭ মে ২০২১

করোনা লকডাউন অমাণ্য করলে কঠোর ব্যাবস্থা”সুবর্ণচর উপজেলা প্রশাসন

লেখক : AjKMuSbt | প্রকাশ: ২০২০-০৪-১৪ ২২:২৬:৫৫

ইমাম উদ্দিন সুমন,নোয়াখালী প্রতিনিধি: লকডাউন আইন না মেনে অবৈধ উপায়ে অনেকেই চায়ের দোকান, কসমেটিক্স দোকানসহ বিভিন্ন দোকান খোলা রাখছেন সুবর্ণচর উপজেলার সাধারণ ব্যবসায়ীগণ ।

প্রতিদিন মোবাইল কোর্ট বসিয়ে জরিমানাও করছেন সুবর্ণচর উপজেলা প্রশাসন। একাধিক স্থানে অতিউৎসাহী ব্যাক্তিগণ রাস্তা বন্ধ করে দেয়ারও খবর পাওয়া যায় এসব বিষয় আমলে নিয়ে লকডাউন আইন না মানলে কঠোর ব্যবস্থা নিবেন বলে হুশিয়ার করেছেন সুবর্ণচর উপজেলা প্রশাসন, করোনা সচেতনতায় গুজব, দ্রব্যমূল্য দাম বৃদ্ধি, গনজমায়েত ঠেকাতে ব্যপক উদ্যোগ গ্রহণ করছে চরজব্বার থানা পুলিশ, প্রতিদিন বাজারগুলো তদারকি করছেন চরজব্বার থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাহেদ উদ্দিন।

সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইবনুল হাসান ইভেন বলেন, “নোয়াখালীতে লকডাউন চলমান রয়েছে, বিকেল ৩টার পর ঔষধ দোকান ব্যতিত কোন দোকান খোলা থাকবেনা, সুবর্ণচরের সকল কাঁচাবাজার উন্মুক্ত স্থানে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং ক্রেতা বিক্রেতাদের মধ্যে নিরাপদ দুরুত্¦ বজায় রেখে ব্যবসা পরিচালনা করার অনুরোধ করা হয়েছে। এর বাহিরেও সন্ধ্যা ৬টার পর ঘরের বাহিরে কাউকে পাওয়া গেলে সে ব্যাপারেও আমরা আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছি, যেসকল ব্যবসায়ী লকডাউন মানছে না মোবাইল কোর্টের মাধ্যেমে সাজা দেয়া হচ্ছে।

 

অতিউৎসাহী হয়ে যারা বিভিন্ন পয়েন্টে রাস্তা বন্ধ করে দিচ্ছে এটির অনুমোদন নেই, অনেক সময় জরুরী সেবার বিঘ্নিত হতে পারে সুবর্ণচর উপজেলা প্রশাসন ব্যতিত অন্য কেউ রাস্তা বন্ধ করতে পারবেনা এব্যাপারে আমরা হুশিয়ার করে দিচ্ছি যদি কেউ করে থাকেন গণউপদ্রব হিসেবে আমলে নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো”।

চরজব্বার থানা’র অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাহেদ উদ্দিন বলেন, যারা চুরি করে চায়ের দোকান চালাচ্ছেন হাতে নাতে ধরা পড়লে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, অলিগলিতে গাছের গুটি পেলে যারা প্রতিবন্ধকতা সৃস্টি করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, জনসচেতনতা বাড়াতে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা চালাচ্ছি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, প্রবাসীদের তথ্য সংগ্রহ করা, গণজমায়েত না হতে ও আমরা সতর্ক করে দিচ্ছি। থানায় যারা আসবেন তাদের জন্যও আমরা হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করেছি।

 

কয়েকদিনে সরজমিনে গিয়ে সাধারনের মাঝে কিছুটা সচেতনতা লক্ষ্য করা গেছে, আগের চেয়ে হাট বাজার অনেকেটাই ফাঁকা। প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। নিত্যপণ্য’র বাজার স্থিতিশীল রাখতে প্রতিনিয়ত অভিযান পরিচালনা করার দাবী জানান জনসাধারণ।

Print Friendly, PDF & Email