বাংলাদেশ , শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১

২৬ এপ্রিল থেকে পুনরায় গার্মেন্টস খোলার সিদ্বান্ত বিজিএমইএ

লেখক : AjKMuSbt | প্রকাশ: ২০২০-০৪-২১ ০৭:২১:১৪

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন – বিজিএমইএ দেশের তৈরি পোশাক-এর উৎপাদক ও রপ্তানিকারকদের প্রতিনিধিত্বকারী আগামী ২৬ শে এপ্রিল থেকে গার্মেন্টস পুনরায় খোলার সিদ্বান্ত গ্রহণ করেছে।

 

মূলত দেশের গার্মেন্টস শিল্পকে রক্ষায় বিজিএমইএর পক্ষ থেকে এমন সিন্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে অর্থনীতিবিদের মতে, কারোনার মহামারী পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পেতে কঠোর তদারকির মধ্যে দেশের শিল্প-কারখানা গুলিকে পর্যায়ক্রমে পুনরায় চালু করা উচিত।

গত বুধবার বিজিএমইএ প্রেসিডেন্ট রুবানা হক The Financial Express কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন,

“আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার কারণে আমরা ২৬ শে এপ্রিল থেকে আমাদের কারখানাগুলি চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

আমরা আমাদের কর্মীদের ডেকে উৎপাদন শুরু করব, অন্যথায় আমরা গার্মেন্টস কে রক্ষা করতে পারবো না। ইতিমধ্যে আমরা ৩.৫ বিলিয়ন ডলারের অর্ডার বাতিলের সম্মুখীন হয়েছি।”

কিভাবে পোশাক শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হকবলেন তিনি বলেন, শ্রমিকদের স্বাস্থ্যের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে তবে শ্রমিকদের নিজের বাড়িতে প্রয়োজনীয় সতর্কতাও অবলম্বন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, এত বড় সংখ্যক লোকের থাকার ব্যবস্থা করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।

বিজিএমইএ এমন পদক্ষেপের পক্ষ নিয়ে রুবানা হক আরো বলেন, বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী ভিয়েতনাম এবং কম্বোডিয়া সহ অন্যান্যরা করোনা ভাইরাস মহামারী সত্ত্বেও তাদের কারখানাগুলি খোলা রেখেছে। বাংলাদেশের আরএমজি সেক্টর ৪০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি করে যা দেশের রপ্তানি আয়ের ৮৪ শতাংশ যেখানে ৪০ লক্ষ গার্মেন্টস শ্রমিকের কর্মসংস্থান।

শ্রমিকদের বেতন প্রদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেেন, “আমরা শ্রমিকদের বেতন পরিশোধের জন্য ব্যাংকগুলি থেকে ঝন নিচ্ছি কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি আমাদের বোঝা বহন করতে হবে।”

সকল সঙ্কটের সময়ে বিজিএমইএ কেন সরকারী সহায়তা চায়? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,
কোনও পোশাক মালিকের শ্রমিকদের তিন মাসের বেতন দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বইচ্ছা নেই। উদাহরণস্বরূপ, ‘আমাকে আমার শ্রমিকদের মাসিক বেতন হিসাবে দেড় কোটি টাকা দিতে হবে এবং যদি তিন মাস ধরে কারখানাগুলি বন্ধ থাকে, তবে আমাকে ৪৫ কোটি টাকা দিতে হবে।’

Print Friendly, PDF & Email