বাংলাদেশ , শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

স্ত্রীরিদের পরকীয়ায় তরুনরা ইমু ইউটিভে’বয়স্ক স্বামী বিরক্তকর”কৌশলে তালাক নয় মৃত্যূর ফাঁদে

লেখক : AjKMuSbt | প্রকাশ: ২০২০-০৫-২৭ ১৮:২৫:১০

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় নিখোঁজের প্রায় ৩ মাস পর মাটির নিচ থেকে কাঠ মিস্ত্রির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ ওই কাঠ মিস্ত্রীর স্ত্রীসহ ৪ জনকে আটক করেছে। স্ত্রীর পরকীয়ার জেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি নিহতের পরিবারের।

”যে নারী স্বামীর সাথে প্রতিনয়ত ঝগড়া  লেগে থাকে” স্বামী বয়স্ক একসময় ছেহারা সুন্দর থাকলেও বর্তমানে তা নেই। ‘আমাদের দেশে বেশির ভাগ স্বামীরা স্ত্রী সন্তান দের ভালো ভাবে খাওানো পরানোর জন্য ।”

অতিরিক্ত পরিশ্রম করে থাকে । পরবর্তীতে সবার সাথে শুখে দুঃখে দু মোঠো ডাল ভাত খাওয়ার আসায়।   বাংলাদেশের ভাইয়েরা  আদরের মা বাবা স্ত্রী সন্তান দেশের মায়া ছেড়ে বুকে পাথর ভেধে  বিদেশের বাড়ীতে  না গিয়ে আর কোন উপায় থাকেনা ।

 

সেখানে   ময়লা ড্রেন আবর্জনা পরিস্কার হইতে এক প্রকার  পরিবারের শান্তির জন্য । ”’

 

”তার জীবনকে বিদেশের মাঠিতে শেষ করে দিয়ে ।  এক সময় পরিবারের মায়ায় নিজের জন্মস্থানে চলে আসে।  আসার পর দেখা যায় অনেকের স্ত্রী আছে কিন্তুক  স্ত্রীরীর মন নেই ।  ভালো বাসা বলতে স্বামীর জন্য কিছুই নেই ।

‘আবার অনেকে দেশে এসে দেখে স্ত্রীরিও নেই। স্বামীর বিদেশ থেকে পাঠানো কষ্টের টাকা মার্কেটে পার্কে খরছ করে পরকীয়া প্রেমিকের জন্য।  সব কিছু মিলিয়ে দেশে নিরবে  চলছে । ৭০ /ঃপারসন স্ত্রীরির কাছে স্বামী নিরবে নির্যাতন।

‘এতে বেশির ভাগ স্বামীরা হার্ট এটার্ক করে মৃত্যু বরন করেন। এই জন্য নতুন আইন হওয়া প্রয়োজন কনে করি। আর যেই স্ত্রীরির হাতে দামী মোবাইল ইমু ইউটিভ প্রতিনিয়ত থাকবে। ঐ স্ত্রীরির মন ভালা বাসা পাওয়া স্বামীর পক্ষে কখনও  সম্ভব নহে। নহে’ নহে”নহে”

মঙ্গলবার (২৬ মে) বিকাল সাড়ে ৫ টায় উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের তালপুকুরিয়া গ্রামের বিলের মধ্যে একটি মাছের ঘের পাড় থেকে মাটি চাপা দেয়া অবস্থায় পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।

 

উদ্ধারকৃত মরদেহটি ওই গ্রামের কেনারাম বাড়ৈর ছেলে কমলেশ বাড়ৈর (৪৫)। তিনি কাঠ মিন্ত্রীর কাজ করতেন।

কমলেশ বাড়ৈর ভাই রবেণ বাড়ৈ জানান, কমলেশের স্ত্রী সুবর্ণা বাড়ৈ (৪০) এর সাথে প্রতিবেশী মাছের ঘের ব্যবসায়ী মম্মথ বাড়ৈর দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল।

 

এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া ও মনোমালিন্য চলতো। এ ঘটনায় এলাকায় একাধিকবার সালিশ বৈঠক করা হয়। কিন্তু, এতেও কোন কাজ হয়নি। সুবর্ণা পরকীয়া প্রেমিকের সাথে কমলেশকে হত্যার পরিকল্পনা করে। ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে কমলেশ নিখোঁজ হয়।

 

তিনি আরো বলেন, কমলেশের নিখোঁজের ঘটনায় গত ৩ মার্চ কোটালীপাড়া থানায় একটি জিডি করা হয়। জিডির সূত্রধরে পুলিশ তদন্তে নামে। গ্রামের বিভিন্ন জনকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে।

 

পরে মঙ্গলবার মম্মথর মাছের ঘেরের পাড়ে গ্রামের বিপুল বাড়ৈ নামে এক লোক ঘাস কাটতে গিয়ে মাটি খোঁড়া দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাটি খুঁড়ে কমলেশের মরদেহ উদ্ধার করে।

 

তিনি আরও জানান, সুবর্ণা পরকীয়া প্রেমিক মম্মথর সহযোগিতায় কমলেশকে হত্যা করে মরদেহ ঘের পাড়ে মাটি চাপা দিয়ে রাখে। তিনি দোষীদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।

 

কোটালীপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ লুৎফর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, পরকীয়া প্রেমের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটতে পরে।

এ ঘটনায় জড়িত কমলেশের স্ত্রী সুবর্ণা বাড়ৈ, সুবর্ণার পরকীয়া প্রেমিক মম্মথ বাড়ৈর ভাই কৃষ্ণ বাড়ৈ, সহযোগী বিষ্ণু বাড়ৈ ও মম্মথর বন্ধু কালু বাড়ৈকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

 

ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধারের পর কমলেশের স্ত্রী সুবর্ণা কমলেশের মরদেহ সনাক্ত করেন। ***

 

উদ্ধারকৃত মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রধান অভিযুক্ত মম্মথ বাড়ৈকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে

Print Friendly, PDF & Email